
বাথরুমের হিটারগুলোকে উষ্ণ রাখা দরকার; কিন্তু এগুলো থেকে আলো এমনভাবে আসা উচিত যাতে চোখ অস্বস্তি না বোধ করে। এটা একটি জটিল ইঞ্জিনিয়ারিং সমস্যা। আমাদের অবশ্যই এমন তাপ উৎপন্ন করতে হবে যাতে আপনি আরাম অনুভব করতে পারেন; কিন্তু আলোটা এমনভাবে থাকা উচিত যাতে কারও চোখ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়—বিশেষ করে যদি বাথটাবে শিশু থাকে।
সমস্যাটা আসলে আলোর ক্ষেত্রেই।
বেশিরভাগ সাধারণ ইনফ্রারেড ল্যাম্পগুলো অত্যধিক পরিমাণে দৃশ্যমান আলো ও ইউভি রশ্মি নির্গত করে। ছোট বাথরুমে এই আলো খুবই অস্বস্তিকর হয়। এটা সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা শক্তিটিকে মধ্যম ও দীর্ঘ-তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ইনফ্রারেড রেঞ্জে নিয়ে যাই।
আমরা কোয়ার্টজ কাঁচে কিছু বিশেষ উপাদানও যোগ করি। এগুলো এক ধরনের “ঢাল” হিসেবে কাজ করে; উচ্চ-শক্তির নীল আলো ও ইউভি রশ্মিগুলোকে কাঁচ থেকে বেরিয়ে আসার আগেই শোষণ করে নেয়। ফলে আলোটা নরম ও হলুদাভ হয়। এটা খুবই আরামদায়ক। এটাই হলো সেই উষ্ণতা, যা আপনি চান… কিন্তু এতে “শিল্পীয় হ্যালোজেন”-এর মতো তীব্রতা নেই।
চাপ সহ্য করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা।
বাথরুমগুলোতে যন্ত্রপাতিগুলো খুবই চাপের মধ্যে থাকে। কখনও ঠান্ডা, আবার কখনও গরম। এই চাপ থেকে ল্যাম্পগুলোকে রক্ষা করার জন্য আমরা উচ্চ-গুণমানের কোয়ার্টজ ব্যবহার করি।
কিন্তু এখানেই শেষ নয়। আমরা কাঁচে পাতলা-স্তরের কোটিংও যোগ করি। এটা যেন ল্যাম্পের জন্য এক জোড়া সানগ্লাস। এটা উষ্ণতাকে আপনার ত্বকে পৌঁছে দেয়; কিন্তু অস্বস্তিকর আলোকে আটকে দেয়।
সত্যিকারের আদান-প্রদান।
কিন্তু এখানেই সমস্যা। চোখকে রক্ষা করার জন্য যখন আপনি অত্যধিক আলো ফিল্টার করেন, তখন ল্যাম্পটির কিছুটা শক্তি কমে যায়। এটাই হলো আদান-প্রদান। আপনি অনেক নিরাপদ ও আরামদায়ক আলো পান; কিন্তু ল্যাম্পটি অপরিশোধিত বাল্বের মতো কার্যকর নয়।
তাই, আপনার পাওয়ার সাপ্লাইয়ে অবশ্যই কিছুটা অতিরিক্ত শক্তি থাকা উচিত। এতে নিরাপত্তা ফিল্টার থাকা সত্ত্বেও ঘরটি উষ্ণ থাকে।